
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইয়াসিন খান গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জ জেলায় চলতি বছরের শুরু থেকেই শিশুদের মধ্যে হামের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গত জানুয়ারি থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেলায় মোট ১১৩ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে গত ৪ এপ্রিল এক দিনেই নতুন করে ২৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে ইতিমধ্যে তুবা ইসলাম তোহা নামে ১০ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুটি মুকসুদপুর উপজেলার হোগলাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ছিল। গত ২৭ মার্চ ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, ৩ এপ্রিল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৬২ থাকলেও মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে তা বেড়ে ১১৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
জেলায় হাম শনাক্তের জন্য নিজস্ব কোনো ল্যাবরেটরি নেই। ফলে আক্রান্ত শিশুদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠাতে হচ্ছে। ঢাকা থেকে রিপোর্ট আসতে সময় লাগছে প্রায় ৭ থেকে ১০ দিন। ল্যাব সংকটের কারণে সময়মতো চিকিৎসা নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিচ্ছে:
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আক্রান্তদের জন্য জেলার হাসপাতালগুলোতে বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি (ক্যাম্পেইন) শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এ পর্যন্ত সংগৃহীত ৩০টি নমুনার মধ্যে কয়েকজনের শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।